জীবনযাপন

৫৬ ঘণ্টা পরও কুষ্টিয়া সীমান্তের শূন্যরেখার আলে পুশ ইনের চেষ্টার শিকার ১২ জন

FastNews প্রতিবেদক FastNews
সব খবর

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে শূন্যরেখার কাছে খেতের আলে অবস্থান করা শিশুসহ ১২ নারী–পুরুষের বিষয়ে দুই দিনেও কোনো সুরাহা হয়নি। ৫৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।

বিএসএফ দাবি করেছে, তারা কাউকে পুশ ইন করেনি এবং ওই ব্যক্তিদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে নিতে অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে বিজিবি বলছে, তারা কখনো পুশ ইন করে না, তাই কোনো অনুপ্রবেশও হতে দেওয়া হবে না।

এদিকে দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের চর চল্লিশপাড়া সীমান্ত দিয়ে একজনকে পুশ ইন করার চেষ্টা চালিয়েছে বিএসএফ। আজ রোববার ভোরে সীমান্তের ৮৫/১৩–এস পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। তবে বিজিবি তা প্রতিহত করলে বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে নিয়ে যায়।

আজ বেলা পৌনে একটার দিকে বিজিবির ৪৭ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন প্রাগপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, নতুন কোনো তথ্য নেই। ১২ জন এখনো একই জায়গায় আছে। বিএসএফ গতকাল শনিবার পতাকা বৈঠকের পর আর কোনো তথ্য জানায়নি। এই ১২ জন ভারতীয় নন বলে দাবি করেছে বিএসএফ।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে তাদের সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে আছেন। বাংলাদেশ অংশে মাথাভাঙ্গা নদীর পাড়ে স্থানীয় বাসিন্দারাও পুশ ইন ঠেকাতে সহযোগিতা করছেন।

গত শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে তাঁদের প্রবেশ ঠেকিয়ে দেন বিজিবি সদস্য ও সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩–এস সীমান্ত পিলার এলাকায় বিএসএফ ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়।

সব খবর